তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

গফরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধি হেলেনাও পিছিয়ে নেই

গফরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধি হেলেনাও পিছিয়ে নেই
[ভালুকা ডট কম : ০৭ মে]
দুই পা অচল ও ডান হাত বাঁকা.তাতে কি হয়েছে ? শারীরিক প্রতিবন্ধি হয়েও জীবন যুদ্ধে তবু থেমে থাকেনি হেলেনা খাতুনের শিক্ষা জীবন।ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে হেলেনা খাতুন কৃতিত্বেও সাথে ৪.৮৯ পয়েন্ট পেয়েছে।তবে এ ফলাফলে খুশি নন হেলানা খাতুন।আশা ছিল তার পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়ার।

উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের মৃত শাহাবুদ্দি ব্যাপারীর মেয়ে হেলেনা খাতুন।মৃত শাহাবুদ্দিন ব্যাপারী ও ফজিলা খাতুন দম্পতির ছয় ছেলে মেয়ের মধ্যে সবার ছোট হেলেনা।বাকী এক ভাই ও চার বোন পড়ালেখা বেশী দূর পর্যন্ত এগোতে পারেনি।দু’চোখে বড় হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নিরন্তর সংগ্রামী মুখ শারীরিক প্রতিবন্ধি হেলেনা খাতুনের।শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্বেও সে শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করার প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

হেলেনার মা ফজিলা খাতুন জানায়,ছোট বেলা থেকেই পড়ালেখা করার প্রবল ইচ্ছা ছিল হেলেনার।তাই প্রতিদিন ঝড়,বৃষ্টি,রোদ,কাদাঁ,পানি উপেক্ষা করে দুই হাতে ভর দিয়ে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের নিয়মিত ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয় লেখা পড়া করেছে সে।হেলেনা খাতুন জানান,মা’র বিশেষ আগ্রহের কারনে সে পড়ালেখা করতে পারছে।তার ইচ্ছা একজন ডাক্তার হয়ে প্রতিবন্ধিদের শিক্ষার ব্যাপারে সহযোগিতা করা।

ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেন জানায়,হেলেনা বিজ্ঞান বিভাগের এক জন মেধাবী ছাত্রী।মেধাবী হেলেনার পড়ালেখার প্রতি আগ্রহের কথা চিন্তা করে তাকে আমরা বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছি।সে পরীক্ষায় জিপিএ-৫পাবে আমরা খুব আশাবাদী ছিলাম।হেলেনার জিপিএ-৫ না পাওয়াটা দুঃখ জনক।#






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

পাঠক মতামত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫২৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই