তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁ-৬,আওয়ামীলীগে শংকায় থাকলেও কিছুটা স্বস্তিতে বিএনপি

নওগাঁ-৬,আওয়ামীলীগে শংকায় থাকলেও কিছুটা স্বস্তিতে বিএনপি
[ভালুকা ডট কম : ২৩ সেপ্টেম্বর]
নওগাঁ জেলার রাণীনগর ও আত্রাই দুই উপজেলা নিয়ে নওগাঁ-৬ ও জাতীয় সংসদের ৫১ নম্বর আসনটি গঠিত। আগামী একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারনায় মুখরিত এই নির্বাচনী এলাকা। এই আসনে মুলত ভোটের লড়াই হবে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ ও  বিএনপি’র প্রার্থীর মধ্যেই। প্রার্থী বাছাইয়ের দিক দিয়ে বিএনপি কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় থাকলেও আওয়ামীলীগে রয়েছে একাধিক প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ।

নওগাঁ -৬ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯ হাজার ৩৯৭ জন। গত ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন বিএনপি দলীয় প্রার্থী আলমগীর কবির। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আলমগীর কবির গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে আলমগীর কবির বিএনপি দল ত্যাগ করে এলডিপি দলে যোগ দেন। আলমগীর কবির বিএনপি দল ত্যাগ করার ফলে রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা এক সংকটময় সময় অতিবাহিত করে।  বিএনপির সেই দুঃসময়ে দলের হাল ধরেন আলমগীর কবিরের ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আনোয়ার হোসেন বুলু। বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এ আসন ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দখলে আসে। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মো: আনোয়ার হোসেন বুলুকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন তৎকালীন ঢাকা মহানগর শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: ইসরাফিল আলম। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও নির্বাচিত হন।

আওয়ামীলীগ :
নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম ছাড়াও দল থেকে আরো কয়েকজন আগামী নির্বাচনে এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন। তারা হলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি  মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি ওহিদুর রহমানের ছেলে এ্যাড.ওমর ফারুক সুমন, রাণীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: আনোয়ার হোসেন হেলাল, রাণীনগর উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র উপদেষ্ঠা, জেলা আ’লীগের সদস্য ও রাণীনগর উপজেলার বড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, জেলা আ’লীগের সদস্য ও রাণীনগর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মো: রেজাউল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ মো: রফিকুল ইসলাম। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দিনরাত তাদের নির্বাচনী এলাকায় ভোট প্রার্থনা করে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ উপর মহলে দৌড়ঝাঁপ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এক সময়ের রক্তাক্ত জনপদের শান্তির বাহক ও মিডিয়ায় খুব পরিচিত মুখ নওগাঁ-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম। আগামী নির্বাচনীকে ঘিরে তার নির্বাচনী কার্যক্রম এখনো তেমন ভাবে দৃশ্যমান হয়নি। তবে আ’লীগের মধ্যে হাফ ডজনাধিক প্রার্থী থাকায় শংকায় রয়েছেন এলাকাবাসীরা। অবশেষে শত জল্পনা-কল্পনার জাল ভেদ করে কে হবেন নৌকার মাঝি তাই দেখার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন এই আসনের জনগন। তবে ভোটারদের চাওয়া নতুন মুখ ও নতুন নেতৃত্ব। তারা এই আসনে পরিবর্তন চায়।

ইসরাফিল আলম ২০০৮ সালে বিএনপি দলীয় প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বুলুকে পরাজিত করে প্রথম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ সালের ৫জানুয়ারী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়  নির্বাচিত হন ইসরাফিল আলম। তিনি গত ৯ বছরে এলাকার যোগযোগের ক্ষেত্রে বেশ ভাল অবদান রেখেছেন। নাগর নদীর উপর দুটি ব্রীজ, আত্রাই নদীর উপর একটি ব্রীজ, ছোট যমুনা নদীর উপর দুটি ব্রীজ অত্র এলাকায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের উন্নয়ন হয়েছে। এ ছাড়াও তিনি রাস্তা-ঘাট ও শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। এ ছাড়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় পতিসরে অবস্থিত রবীন্দ্র কুঠির বাড়ি। বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে পতিসরকে জাতীয় ভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন। রাণীনগর-আত্রাইবাসীর প্রানের দাবি ছিল পতিসরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের। কিন্তু কোন ভাবেই সেই দাবি পুরুন হয়নি। তবে পতিসরে একটি কৃষি ইনষ্টিটিউট স্থাপিত হয়েছে। এসব উন্নয়নের পরেও ইসরাফিল আলম এমপির প্রতি অনেক অনেক প্রবীণ ও ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ক্ষোভ রয়েছে। ত্যাগী ও প্রবীনদের মূল্যায়ন না করে নির্দিষ্ট কিছু হাইব্রীড জাতের নেতাকর্মীর দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকেন। তার বিরুদ্ধে অল্প সময়ে প্রচুর বিত্ত বৈভবের মালিক হওয়া ব্যাপারেও ক্ষোভ রয়েছে। বর্তমানে ভ’মি দখলের বিষয়েও তার অনেক সুনাম ছড়িয়ে গেছে।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী ২০০১ সাল থেকে নওগাঁ-৬ আসনের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামনে একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন দলীয় কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করে আসছেন। তবে তিনি এই এলাকার ভোটারদের কাছে একটি পরিচিত মুখ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন এই জনপদের মানুষকে।

সাবেক সংসদ সদস্য ওহিদুর রহমানের ছেলে ও নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.ওমর ফারুক সুমন মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায় রয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তরুন হিসাবে এলাকার মানুষের মন অনেকটা জয় করে ফেলেছেন। তিনি পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি এলাকার গরীব-অসহায় ও অত্যাচারিত মানুষকে বিনামূল্যে আইনীসহায়তা দিয়ে আসছেন। এই আসনের অধিকাংশ যুবকরাই বর্তমানে সুমনের দলের হয়ে দিন-রাত কাজ করে আসছে। এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে তিনি নিবীর ভাবে জড়িত। তিনি নিরলস ভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনার কাজ করে যাচ্ছেন।

আনোয়ার হোসেন হেলালের পরিবার রাণীনগর উপজেলায় আ’লীগকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছিলো। আ’লীগের দু:সময়ে এই পরিবারটিই আ’লীগকে বেঁচে রেখেছিলো। যে পরিবারটিকে আ’লীগের বাতিঘর বলা হতো। হেলালের ছোট ভাই তৎকালীন সময়ের তুখর ছাত্রনেতা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মো: নজরুল ইসলামকে সর্বহারা দল দিনে-দুপুরে নির্মম ভাবে জবাই করে। তাই এই পরিবারটিরও অনেক অবদান রয়েছে এই আ’লীগকে টিকে রাখার ক্ষেত্রে। এছাড়াও হেলাল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থাকাকালীন এই জনপদের মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছেন।

আ’লীগ পরিবারের সন্তান ও বঙ্গবন্ধুর আর্দশে গড়া আ’লীগের আরেক পরিচিত মুখ রেজাউল ইসলাম। যিনি তার জীবনের অধিকাংশ সময়ই আ’লীগের রাজনীতি করার জন্য ব্যয় করে আসছেন। তিনি বলেন বর্তমান সংসদ সদস্য একজন জনবিচ্ছিন্ন নেতা। আজ এই আসনে তারই কারণে আ’লীগে অনেক বিভক্তের সৃষ্টি হয়েছে। তৃনমূলের ত্যাগী ও প্রবীন নেতারা বর্তমান এমপির কাছে কোন মূল্যায়ন পায় না তাই তারা নতুন নেতৃত্বকে খুজছে। তারা এই আসনে নেতৃত্বের পরিবর্তন চায়। তাই জনগনের চাওয়ার ভিত্তিতেই তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বলে জানা।

রাণীনগর উপজেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব আব্দুর রহমান। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে এই এলাকার জনগনের সেবা করে আসছেন। সম্ভ্রান্ত পরিবারের শিক্ষিত একটি মুখ আব্দুর রহমান। বর্তমানে তিনি নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তিনি সব সময় জনগনের কাছে গিয়ে শেখ হাসিনার উন্নয়নের বার্তা পৌছে দিচ্ছেন। শেষ বয়সটা তিনি জনগনের আরো কাছে থেকে সেবা করে মরে যেতে চান। তাই জনগনের চাওয়ার কারণে তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বলে জানা।

অপরদিকে মৎস্য এলাকা আত্রাই উপজেলার আরেক যোগ্য ও শিক্ষিত একটি মুখ শিল্পপতি শেখ মো: রফিকুল ইসলাম। এক সময়ের তুখোর প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা এই শেখ মো: রফিকুল ইসলাম। যিনি এখন নামকরা ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি। সম্ভ্রান্ত শিক্ষিত পরিবারের ছেলে তিনি। যে পরিবারটি স্থানীয়দের সেবা করার ক্ষেত্রে একটি বিরাট অংশ দখল করে আছে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের সঙ্গে নওগাঁ-৬ আসনে উন্নয়ন করার মাধ্যমে বিন্দুমাত্র অংশিদার হওয়ার আশায় তিনি নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন। জননেত্রী যদি সুযোগ দেন তাহলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান বলে তিনি জানান।

বিএনপি:
দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু ছাড়াও বিএনপির মনোনয়ন চান নওগাঁ জেলা তাঁতী দলের সভাপতি আলহাজ্ব এছাহক আলী।বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

২০০৬ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর হতেই নওগাঁ-৬ আসন তথা রাণীনগর আত্রাই উপজেলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা দিশেহারা হয়ে পড়ে। সে দুঃসময়ে শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন আনোয়ার হোসেন বুলু। কঠোর পরিশ্রম ও সাংগঠনিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে এলাকার নেতাকর্মীদের মাঝে দলের এবং নিজের অবস্থান দৃঢ় করেন। ২০০৮ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মো: ইসরাফিল আলমের কাছে পরাজিত হন। এরপরও তিনি অত্র এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন।

রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলায় কোন গ্রুপিং না থাকায় দলীয় শক্ত অবস্থানে রয়েছেন আনোয়ার হোসেন বুলু। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকান্ডে  আনোয়ার হোসেন বুলুর সরব উপস্থিতি দলের নেতাকর্মীদের অনেকটাই চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই আসনের মানুষের কাছে বুলু একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ। দলের দু:সময়ে অত্যাচারিত ও নিপিড়িত কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে যিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি হলেন এই আনোয়ার হোসেন বুলু। পুরাতন চাল ভাতে বাড়ে তাই এই অবস্থা ধরে রাখতে পারলে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে যদি বুলুকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে বিএনপি ভাল ফলাফল পেতে পারেন এমনটাই নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা।

অপরদিকে নওগাঁ জেলা  তাঁতী দলের সভাপতি আলহাজ্ব এছাহক আলী বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাহক আলী ২০০৮ সালের ৮ম সংসদ নির্বাচন থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। সেই লক্ষ্যে নিজেকে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতি সংগঠনের সাথে জড়িয়ে রেখেছেন। ব্যবসার কারণে তাকে ঢাকায় বেশি সময় থাকতে হয়। তবুও তিনি বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন একজন আদর্শকর্মী হিসাবে। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি নিজেকে অনেক পূর্ব থেকেই জড়িত রেখেছেন। তিনি নিজ এলাকায় এসে বিভিন্ন দলীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা অব্যাহত রেখেছেন। এলাকার মানুষ পুরাতনকে আর চায় না। তাই তিনি আশা করেন আগামী নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দিলে জনগন তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।

রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার আইনশৃঙ্খলা বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকজন সব সময় বড় সমস্যায় থাকেন। এই এলাকায় ছিল সর্বহারা নামক জবাই করা দলের অবাধ বিচরন। সর্বহারাদের হত্যা, নির্যাতন ও চাঁদাবাজীর কথা মানুষ এখনো ভুলতে পারিনি। সেই সাথে ছিল বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে জেএমবির তান্ডব। পাশাপাশি যোগাযোগ সমস্যা, বিদ্যুত সমস্যা ও শিক্ষার দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকা এলাকা। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে। আগামী সংসদ নির্বাচনে এই ইস্যুগুলোর ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারিত হবে বলে এলাকার অভিজ্ঞ মহলের ধারনা।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই