তারিখ : ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী আমন ধানের আবাদ

নওগাঁয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী জমিতে আমন ধানের আবাদ,বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
[ভালুকা ডট কম : ১৭ অক্টোবর]
নওগাঁ জেলায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষি বিভাগের নির্ধারনকৃত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ২৯হাজার ৮২৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুক’লে থাকলে এবারও বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষি বিভাগ ও কৃষকরা। কিন্তু লাগাতার ধানের দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃসকক’ল।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে এ বছর আমন মৌসুমে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিল ১লাখ ৬৭ হাজার ৪৫৬ হেক্টর। বিপরীতে জেলার ১১টি উপজেলায় এ বছর আমন চাষ হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ২৭৯ হেক্টর জমিতে। খরিপ২/২০১৯ রোপা আমন আবাদের আওতায় উল্লেখিত পরিমান জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে।

সূত্র মতে উপজেলা ভিত্তিক আমন ধান চাষের পরিমান হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় উফশী জাতের ৮ হাজার ৬৯০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৯৭৫ হেক্টর ও হাইব্রীড জাতের ৭০ হেক্টর, রাণীনগর উপজেলায় উফশী জাতের ১৭হাজার ৮৮০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২৪৫হেক্টর, আত্রাই উপজেলায় উফশী জাতের ৩ হাজার হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২হাজার ১২৫হেক্টর, বদলগাছি উপজেলায় উফশী জাতের ১২হাজার ৩০০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১হাজার ৫০০হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় উফশী জাতের ১৮হাজার ৪০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১০হাজার ৩০০হেক্টর, পত্নীতলা উপজেলায় উফশী জাতের ২৫হাজার ১০০হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৩হাজার হেক্টর ও হাইব্রীড জাতের ১০হেক্টর, ধামইরহাট উপজেলায় উফশী জাতের ১৯হাজার ৪৩হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৬৬৩হেক্টর ও হাইব্রীড জাতের ৫০হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় উফশী জাতের ১০হাজার ১০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২হাজার ৫০হেক্টর, পোরশা উপজেলায় উপশী জাতের ১৫হাজার ৪৮২হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১হাজার ২৭০হেক্টর, মান্দা উপজেলায় উফশী জাতের ১৩হাজার ৩১০হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২হাজার ৪৬০হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় উফশী জাতের ২৫হাজার ৩০৬হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৪হাজার ৪০০হেক্টর।

জেলার রাণীনগর উপজেলার বড়গাছা গ্রামের কৃষক আব্দুল হালিম বলেন ধানের দাম নেই ধানের বাম্পার ফলন দিয়ে কি করবো? ধান চাষ না করলে জমিটা পতিত পড়ে থাকবে তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই ধানের চাষ করছি। তবে এখন পর্যন্ত আমন ধানের অবস্থা খুবই ভালো। যদি এই আবহাওয়া বর্তমান থাকে, কোন বালাইনাশকের আক্রমণ না হয় আর কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দেয় তাই বাম্পার ফলনের আশা করছি। তবে কৃষকদের বাঁচাতে হলে ধানের বাজার বৃদ্ধি করতে হবে সরকারকে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, চাষকৃত ধানের মধ্যে উন্নত ফলনশীল উফশী জাতের ১লাখ ৬৮হাজার ১৬১হেক্টর, স্থানীয় জাতের ২৮হাজার ৯৮৮হেক্টর এবং হাইব্রীড জাতের ১৩০হেক্টর। কৃষকরা এ বছর উফশী জাতের মধ্যে স্বর্না, ব্রীধান-৩৪, ব্রীধান-৪৯, ব্রীধান-৫১, ব্রীধান-৫২, বিনা-৭, রঞ্জিত এবং পাইজাম উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় জাতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য চিনি আতপ এবং বিন্না ফুল উল্লেখযোগ্য। তবে যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত না হানে এবং আবহাওয়া অনুক’লে থাকে তাহলে চলতি মৌসুমেও কৃষকরা আমনধানের বাম্পার ফলন পাবে বলে আমি আশাবাদি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই