তারিখ : ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

কোনো সুখবর নেই ভোক্তাদের জন্য পেঁয়াজের বাজারে

কোনো সুখবর নেই ভোক্তাদের জন্য পেঁয়াজের বাজারে
[ভালুকা ডট কম : ০৮ নভেম্বর]
কোনো সুখবর নেই ভোক্তাদের সামনে। এখনো উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ; সবজির বাজারও চড়া। সহসা পেঁয়াজের দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখছেন না বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিও। তবে বাজার পরিস্থিতি যাইহোক, সরকারি হিসেবে কমেছে সার্বিক মূল্যস্ফীতি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৪৭ শতাংশে, যা তার সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ৫.৫৪ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, অক্টোবরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বাড়লেও খাদ্য বহির্ভূতখাতে নিম্নমুখী হওয়ায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, বছরওয়ারি পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতেও ডাল, চিনি, মুড়ি, মাছ-মাংস, ব্রয়লার মুরগি, ফল, তামাক, দুধজাতীয় পণ্য এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। এছাড়া মাসওয়ারি ডিম, শাক-সবজি ও মসলা জাতীয় পণ্যের দামও বেড়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে। আমদানি করাগুলো বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়- যা গেল সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা কম। তবে, সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম দেড়শ টাকা ছাড়ায়। যাকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে সরকার অভিযান শুরু করলে কিছুটা নামতে শুরু করে দাম। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তে পেঁয়াজের প্রচুর সরবরাহ থাকলেও দাম বেশি।

তবে, পেয়াজের ঝাঁজে নাকাল ভোক্তারা বলছেন, অযৌক্তিকভাবে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মুনাফা করছেন তারা। তাই বাজেট মেলাতে পেঁয়াজ কেনা কমিয়ে দিয়েছেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানান তারা।

এদিকে, দুই সপ্তাহের আগে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী। আজ (শুক্রবার) সকালে রংপুরে এক অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তিনি বলেন, মিশর থেকে আমদানি করা পেয়াজ দু'একদিনের মধ্যে দেশে পৌছাবে। তাতে কিছুটা দাম কমলেও নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসার বাজার স্বাভাবিক হবে না।

চাহিদার কথা মাথায় রেখে, এরইমধ্যে বাজারে আসতে শুরু করেছে পাতাযুক্ত নতুন পেঁয়াজ। বেশি দাম পাওয়ার আশায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তোলন করছেন কৃষকরা। এদিকে, আজ (শুক্রবার) থেকে নিজেদের বেঁধে দেয়া মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করেছে রাজধানীর শ্যামবাজার বণিক সমিতি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। এছাড়া মিশর, তুরস্ক ও চীনের পেঁয়াজের কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, এ দর নির্ধারণ করেন ব্যবসায়ীরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ৩০ লাখ টন। গত মৌসুমে মোট পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ২৩ লাখ টন। সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ ক্ষতি বাদ দিলে পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৩০ লাখ টন। এতে পেঁয়াজের ঘাটতি দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৭০ লাখ টনের মতো। ঘাটতি দূর করতে ১৩ লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানি হয়। ফলে পেঁয়াজের কোন সংকট থাকার কথা নয় বাংলাদেশে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জাতীয় বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই