তারিখ : ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় পাঁকা আমন ধানের মাঠে খাদ্যমন্ত্রী

নওগাঁয় পাঁকা আমন ধানের মাঠে খাদ্যমন্ত্রী
[ভালুকা ডট কম : ০৯ নভেম্বর]
নওগাঁর মাঠে মাঠে নতুন ফসলের ঘ্রান ছড়াচ্ছে আমনের পাকা ধান। চলতি মৌসুমের ধান ঘরে তুলতে কাটা মাড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলার চাষিরা। হেমন্তের মৃদু বাতাসে সোনালী শীষে দোল খাচ্ছে চাষির স্বপ্ন। ক’দিন পরেই নতুন ধান-চালে ভরে উঠবে কৃষকের গোলা।

মাঠের ফসল দেখতে শনিবার নওগাঁর নিয়ামতপুরে যান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। ধানখেতের মধ্যে কিছুক্ষন হেঁটে ঘুরে দেখেন পাকা ধানের ফলন। ফসল দেখে পুলকিত হোন মন্ত্রী। এসময় তার সাথে ছিলেন নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়স্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটওয়ারী, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। মন্ত্রী মাঠে গিয়ে চাষিদের সাথে কথা বলেন। চলতি আমন ফসল ছাড়াও অন্যান্য চাষাবাদ ও গ্রামীণ অর্থনীতির খোঁজ খবর নেন।

ফসল দেখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে আমন ধানের কাটা মাড়াই। এরমধ্যে যদি প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করতে না হয়, তাহলে বাম্পার ফলন ঘরে উঠবে। বিঘা প্রতি ২২ থেকে ২৫ মন পর্যন্ত ফলন হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় চাষিদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলে লাভবান করতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে প্রথমবারের মত সরকারী ভাবে ৬লাখ মেট্টিক টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২৬টাকা কেজি দরে ২০ নভেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে সরাসরি প্রকৃত চাষিদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু হবে। চলবে ২৮ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। এজন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ থেকে চাষি তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে।

সারাদেশে এবার আমনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় দেড় কোটি মেট্টিক টন। বাম্পার ফলন হলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিক খেয়াল রেখেই সরকারী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। ধানের পাশাপাশি সরকারী ভাবে সাড়ে ৩লাখ মেট্টিক টন সিদ্ধ চাল ও ৫০লাখ মেট্টিক টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে।

সরকারী গুদামে ধান-চাল সরবরাহে কোন ভাবেই মধ্যস্বত্ত্বভোগী, দালাল চক্র কিংবা দলীয় নেতা স্থান পাবে না এমন প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরাসরি খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করতে কৃষকদের প্রতি আহবান জানান তিনি।মন্ত্রী আরো বলেন দেশ এখন খাদ্য উদ্বৃত্ত্বে। দেশের চাহিদা ও আপদকালীন মজুদ রেখে চাল রপ্তানীর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমন উঠার পর রপ্তানীর নতুন লক্ষ্য ঠিক করা হবে।

খাদ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেন স্থানীয় চাষিরা। কৃষকরা বলেন এবার ধানের ফলন ভাল হয়েছে। সরকারী ভাবে বেঁধে দেওয়া দরে তারা খুশি। তবে এই দর খোলা বাজরেও নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন। এজন্য নজরদারী বাড়ানোর কথা বলেন চাষিরা। গেল বোরো মৌসুমে বাজার দর কম পেয়ে অনেক চাষিকেই লোকসান গুনতে হয়েছে। সেই ক্ষতি এবার পুশিয়ে নিতে চান তারা।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই