তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

গফরগাঁওয়ে খুরশিদমহল সেতুর নীচ থেকে বালু উত্তোলন

গফরগাঁওয়ে খুরশিদমহল সেতুর নীচ থেকে বালু উত্তোলন
[ভালুকা ডট কম : ১৮ নভেম্বর]
ময়মনসিংহের গফরগাঁও-হোসেনপুর সড়কে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর নির্মিত খুরশিদমহল সেতুর নীচ থেকে ট্রলার দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে।এতে হুমকীর সন্মূখীন হয়ে পড়েছে ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত খুরশিদমহল সেতু।সরকারী ইজারা নীতিমালা অমান্য করে না করে ব্রীজের নীচে থেকে বালু উত্তোলন করলেও স্থানীয় প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে নিরব ভূমিকা পালন করছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়,গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদের প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বেশ কয়েকটি বালু মহাল রয়েছে।পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে চলা ময়মনসিংহ-গফরগাঁও টোক সড়কের প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকা জুড়েই চোখে পড়বে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের দৃশ্য।সরকারীর ইজারার নীতিমালা অনুযায়ী সরকারী-বেসরকারী স্থাপনা,আবাসিক এলাকা,ব্রিজ,কালর্ভাট,সড়ক ও রেলপথের এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ হলেও কোন নিয়ম-নীতি মানা হচ্ছে না।বহ্মপুত্র নদ থেকে প্রতিদিন ৫শ’ থেকে ৬শ’ ট্রাক-ট্রলি বালু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।উপজেলার পাঁচবাগ ইউনিয়নের খুরশিদ মহল এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের উপর নির্মিত ব্রীজের নীচ থেকে প্রতিদিন বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

সরকারী নীতিমালা অমান্য করে ব্রীজের নীচ থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকীর মুখে ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত গফরগাঁও-হোসেনপুর সড়কের খুরশিদমহল সেতু।স্থানীয় ইজারাদারা প্রশাসনের নাকের ডগায় দেদার বালু উত্তোলনের মহোৎসব চালিয়ে যাচ্ছে।সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ব্রীজের এক কিলামিটার মধ্যে বালূ উত্তোলন নিষেধ থাকলেও ইজারাদার এসব নীতিমালার কোন তোয়াক্কা করছে না।

এছাড়াও সরকারী নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে ময়মনসিংহ-গফরগাঁও টোক সড়কের ব্রহ্মপুত্র নদ এবং বানার নদী  থেকে  ড্রেজার বসিয়ে যত্রতত্র বালু তোলায় নদের দু’পাড়ই ভাঙছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,উপজেলা প্রশাসন ও প্রকৌশলীকে ম্যানেজ করে গফরগাঁওয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ এবং বানার নদীর বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ড্্েরজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে।এসব নদ নদী থেকে প্রতিদিন পাঁচশ’ থেকে ছয়শ’ ট্রাক-লরি বালু যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী জেলার কিশোরগঞ্জ,নরসিংদী,গাজীপুর,শ্রীপুর,মাওনা,ভালুকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মাহাবুব উর রহমান জানান,সেতুর অন্তত এক কিলোমিটার এলাকা ঝুকিপুর্ন হিসেবে বালু উত্তোলন বা মাটি কাটা নিষেধ রয়েছে। এআইন অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করার হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই