তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় ভূট্টা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে

ভালুকায় সরকারী প্রনোদনায় ভূট্টা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে
[ভালুকা ডট কম : ১৯ জানুয়ারী]
ভালুকায় সরকারী প্রনোদনায় অর্থকরী ফসল ভূট্টাচাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মাঝে। পোল্ট্রি ও মাছের খাদ্য উৎপাদনে ভূট্টার ব্যবহার অনস্বীকার্য হওয়ায় এর ব্যপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে ভালুকা উপজেলায় পোল্ট্রি খামার ও মৎস্য চাষে ব্যপক প্রসারতা লাভ করেছে। অপরদিকে এসব পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে ভালুকায় বেশ কয়েকটি ফিড মিল গড়ে উঠেছে।উত্তর বঙ্গ ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব ফিড মিলে ভূট্টা আমদানী করা হয়ে থাকে। ভালুকায় উৎপাদিত ভূট্টা ভালুকার ফিডমিল গুলিতে সরবরাহ করে কৃষক লাভবান হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নার্গিস আক্তার জানান ভালুকায় ২৫ হেক্টর জমিতে ভূট্টা চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে অর্জিত হয়েছে ৩৫ হেক্টর। সরকারী প্রনোদনায় ২০০ জন চাষীকে ২ কেজি করে ভূট্টা বীজ, ডিএপি সার ২০ কেজি, এম ও পি সার ১০ কেজি প্রদান করা হয়। ১০ জন চাষীকে রাজস্ব খাতের আওতায় বীজ সার ও আন্ত পরিচর্যা বাবদ ইউরিয়া ৬৫ কেজি, এম ও পি ২৫ কেজি, টি এসপি ৩৫ কেজি, জিপ সাম ৩৫ কেজি, বরিক এসিড দেড় কেজি, দস্তা সার দেড় কেজি, মেগনেসিয়াম সালফেট ৬ কেজি, প্রদর্শনী সাইনবোর্ড ১ টি ও আন্ত পরিচর্যার জন্য এক হাজার টাকা করে প্রত্যেককে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও প্রশিক্ষনের জন্য ব্রিফিং ভাতা বাবদ প্রতি কৃষককে ৫ শ টাকা করে দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান ভূট্টা ফসল উঠানোর পর গাছ জ্বালানী ও পাতা গোখাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এ ছারা ভূট্টা ভেজে খেতে খুবই সুস্বাধু। উপজেলার ভালুকা ইউনিয়নের কাঠালী, মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের গোবুদিয়া, নয়নপুর, ডাকাতিয়ার হাজির বাজার,আউলিয়ার চালা সহ বিভিন্ন গ্রামে ভূট্টার আবাদ হয়েছে। ডাকাতিয়ার বেপারীপাড়া গ্রামে সরকারী রাজস্ব আওতায় প্রদর্শণী প্লটের ৫ জন কৃষক আব্দুল আলীম, ইছমত আলী, আমেনা খাতুন, শাহীনা আক্তার ও তছিরন বেগম ভূট্টার আবাদ করেছেন।

ওই ব্লকের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান সরকারী প্রনোদনার বাইরেও উদ্বুদ্ধ করনের মাধ্যমে অনেক চাষী ভূট্টার আবাদ করেছেন। সারা বছর আবাদ হলেও ডিসেম্বর মাসে সাধারণত রবি মৌসুমের ভূট্টার বীজ বপন হয়। ধানের চেয়ে সেচ, সার, কীটনাশক, ও আনুষাঙ্গিক খরচ অনেক কম হওয়ায় ভূট্টা চাষ বেশী লাভ জনক। প্রতি হেক্টরে ৫ মেট্রিক টন ফলন অনায়াসে পাওয়া যায়। ফসল উঠার পর ফরিয়ারা কৃষকের বাড়ী হতে ৭ থেকে ৮শ টাকা মণ দরে ভূট্টা কিনে নিয়ে যায়। বাজারজাত করনে কৃষকের কোন পরিবহন খরচ লাগেনা।#                                                                                                





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৩১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই