তারিখ : ০৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকার সৎ,পরিশ্রমী,কর্মীবান্ধব নেতা চেয়ারম্যান কালাম

ভালুকায় করোনা সতর্কতা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণে থেমেনেই-চেয়ারম্যান আবুল কালাম
[ভালুকা ডট কম : ০৮ এপ্রিল]
ভালুকায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সতর্কতা বার্তা জনগণের কাছে পৌছে দিতে কখনও গাড়ীতে,কখনও হোন্ডায় আবার কখনও পায়ে হেটে,  করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পরা অসহায়,দুস্থ,হত দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে থেমেনেই ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ।

সারা বিশ্বে যখন করোনার মহামারির পাশাপাশি বাংলাদেশেও করোনার আক্রমন ও অঘোষিত লকডাউনের কারনে খেটে খাওয়া মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পরে তখন সেই থেকে সরকার ঘোষিত ত্রাণের পাশাপাশি নিজস্ব ও বিত্তবানদের সহযোগীতায় উপজেলার  ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নের প্রতিটা ওয়ার্ডে বাড়ী বাড়ী অসহায় মানুষের হাতে চাল,ডাল,আলু ভোজ্যতেল ও সাবান বিতরণ করার কাজ অব্যাহত রেখেছেন তিনি।

ফজরের নামাজ আদায় করে গ্রামের গরীব দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়ার পর সকালের নাস্তা করা, তারপর ব্যবসা ও পরিবারকে সময় দেওয়া। এমন রুটিনে তাঁর সময় অতিবাহিত হয়েছে ৮ বছর। স্বপ্ন ছিলো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নবাসীর দুঃখ-কষ্ট লাঘব করবেন। স্বপ্নবাজ এই সমাজসেবক আওয়ামী রাজনীতির সাথে সক্রিয় অংশগ্রনের পাশাপাশি ইউনিয়নবাসীর পাশে থেকেছেন সুখে-দুঃখে।

দৃঢ় আত্নপ্রত্যয়ী,প্রজ্ঞাবান,জনসেবার ইচ্ছাশক্তি ও একাগ্রতার ফসলে আজ তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নয়, ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।২০১৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। দায়িত্ব পাওয়ার পর ‘কাক ডাকা ভোর’ থেকে ‘মধ্য রাত’ পর্যন্ত সময় দিচ্ছেন উপজেলাবাসীকে। কর্মচঞ্চল, বিনয়ী নেতৃত্ব, মেধা, অধ্যবসায় ও দূরদর্শীতার কারণে ভালুকাবাসীর শ্রদ্ধাও আস্থার পাত্র বনেছেন ইতোমধ্যে। মুক্তিযোদ্ধা, সুশীল, সমাজকর্মী, স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল সেক্টরেই তাঁর সুনাম ও গ্রহন  যোগ্যতা সর্বজনবিদিত।

স্কুল শিক্ষক বাবার সন্তান হিসেবে গোটা উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ নজরদারীর কারণে আবুল কালাম আজাদকে ‘শিক্ষানুরাগী’ ক্ষেতাবে ভূষিত করেছেন উপজেলার শিক্ষক সমাজ। তাঁর বাবা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নিজের বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাগণের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। তাছাড়া, মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী সংগঠক সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর আফসার উদ্দিন আহাম্মদের মেয়ের জামাই হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাগণের প্রতি আবুল কালাম আজাদ’র ‘এক্ট্রা কেয়ার’। মুক্তিযোদ্ধাগণকে সম্মান জানাতে তিনি উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত চেয়ার’ স্থাপন করেছেন।

সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম আবুল কালাম আজাদ স্থানীয় হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নের নিরন্তর প্রয়াস উপজেলার সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়নে কঠোর দৃষ্টি, উপজেলার রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার প্রতি বিশেষ নজর, সামাজিক উন্নয়নসহ ‘দায়িত্বশীলতার’ স্বাক্ষর রাখায় বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ‘সফল উপজেলা চেয়ারম্যান’ হিসেবে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। আবুল কালাম আজাদ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগেও মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে সদাহাস্যোজ্জ্বল, নিরহংকারী ও সাদা মনের মানুষ হিসেবে দলমত নির্বিশেষে কাজ করে তিনি এখন গোটা উপজেলাবাসীর সর্বজন শ্রদ্ধেয়।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁর দিন শুরু হয় ফজরের নামাজের পর, আর শেষ হয় মধ্য রাতে। তিনি সকালে হাঁটাহাটি করে এলাকার মানুষের অসুবিধা বা সমস্যার কথা শুনেন। তারপর নাস্তা করে বাসা থেকে বের হন। অফিসের বাইরে জরুরী মিটিং না থাকলে যথা সময়ে অফিসের দাপ্তরিক কাজ করেন। আলাদা আলাদা করে সেবা নিতে আসা উপজেলাবাসীর কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করেন।

তিনি আরো বলেন,নেতৃত্ব মহান আল্লাহর দান। আল্লাহ আমাকে পছন্দ করেছেন বলেই আমাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। আমি মনে করি সফলতা অর্জন করার চেয়ে সেই সফলতা ধরে রাখা কঠিন। আমাকে ভালুকাবাসী বিশ্বাস করে তাদের পবিত্র আমানত প্রদানের মাধ্যমে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। এখন তাদের ওই বিশ্বাস ও আস্থার মর্যাদা রাখাই আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমার নেত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দিন রাত পরিশ্রম করছেন দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে। আমি মাননীয় নেত্রীর একজন বিশ্বস্থ সৈনিক হিসেবে সরকারের সকল প্রকল্পের সঠিক ব্যবহার করে ভালুকাবাসীর সেবা করতে সবসময়ই প্রস্তুত। আমি আমার দায়িত্ব পালনের জন্য সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সহযোগীতা ও দোয়া চাই’।

স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন ধনু বলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ একজন সৎ, পরিশ্রমী, কর্মীবান্ধর নেতা। কাজের প্রতি সে যথেষ্ট আন্তরিক। দেশের এই ক্রান্তিকালে সকাল থেকে গভীররাত পর্যন্ত সে মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। আমি তাঁর সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৬৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই