তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম


বিস্তারিত বিষয়

গৌরীপুরে কাউন্সিলর আব্দুল কাদির ত্রাণ নিয়ে ছুটছেন

গৌরীপুরে করোনাযোদ্ধার অগ্র সৈনিক পৌর কাউন্সিলর আব্দুল কাদির ত্রাণ নিয়ে ছুটছেন
[ভালুকা ডট কম : ২৪ মে]
করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে-মানুষকে বাঁচাতে রাতদিন ছুটে চলা পৌর কাউন্সিলর একজন মানুষ আব্দুল কাদির। যিনি করোনাযোদ্ধা হিসাবে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের অগ্রভাগের সৈনিক।

তিনি করোনার শুরুতেই লিফলেট হাতে ছুটলেন স্কুল থেকে কলেজ, রাস্তা-অলিগলি, হাট-বাজার, সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে। কোভিড-১৯ কি?, কিভাবে ছড়ায়? বাঁচতে হলে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি, হাত ধোয়ার পদ্ধতি এসব প্রচারণায় ব্যস্ত দিন অতিবাহিত করেছেন প্রতিনিয়ত। এরপরে ৮মার্চ প্রিয় মাতৃভূমিতে প্রথম হানা দেয় (কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাস। আবার ছুটলেন সামার্থ্যনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি’র বার্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের ঘওে ঘরে। খবরের কাগজের ভাঁজে ভাঁজে গুজে দিলেন-এই বিধি, মানুন, বাঁচুন। তারপরে পৌরবাসীকে হাতধোয়ার ব্যবস্থা করতে তিনি প্রথম এগিয়ে আসেন এই শহরে।

শুরু হলো দুর্যোগকালীন সময়’ বসে নেই করোনাযোদ্ধা আব্দুল কাদির। এবার মানুষের ঘরেঘরে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে হাজির হলেন তিনি। তিনি গৌরীপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। দু’বার বিপুল ভোটে তিনি বিজয়ী হোন। তাঁর বাবা আবুল কাসেমও পৌরসভার ৫ বার একই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পৌর কাউন্সিলার আব্দুল কাদির লিফলেট বিতরণ করেন গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজ, সরকারি কলেজ, আরকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নুরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়, অগ্রদূত নিকেতন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়াও পৌর শহরের প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পথচারীদের হাতে তুলে দেন করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার পদ্ধতি সম্বলিত লিফলেট। বাদ যায়নি কিন্ডারগার্টেন গুলো’ প্রতিটি স্কুলে তিনি হাজির হয়ে লিফলেট বিতরণ করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যখন আহবান জানান কোভিড-১৯ থেকে বাঁচতে হলে ঘনঘন হাত ধৌত করতে হবে। সেই আহবানে সাড়া দিয়ে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থাপন করেন হাত ধৌত করার বেসিন। ঝুলিয়ে দেখা হয় ফ্রি সাবান আর সার্বক্ষনিক পানির ব্যবস্থা। এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোফাজ্জল হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেঁজুতি ধর। এছাড়াও তিনি হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে পাড়া-মহল্লায় বিতরণ করেন সাবান। জীবানু থেকে বাঁচাতে বিতরণ করেন মাস্ক। শহরের মাছ মহাল, উত্তর বাজার, হাসপাতাল এলাকা, উপজেলা পরিষদ চত্বর, সবজি বাজারসহ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাস্ক বিতরণ করনে। মানুষকে বাঁচাতে মাস্ক পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে সচেতনতামূলক কর্মকান্ডও পরিচালনা করেন তিনি।

এ দিকে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন অনেক মানুষ, দু:স্থ-অসহায়রা করুণ পরিস্থিতির সন্মুখিন। সেই সব মানুষের কাছে আর্তমানবতার ডাকে ছুটে যান পৌর কাউন্সিলার আব্দুল কাদির। নির্বাচিত এলাকা ২নং ওয়ার্ডের ৫শ পরিবারকে তিনি ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেন। তিনি জানান, এলাকাবাসী আমাকে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করেছেন। শুধু ত্রাণ নয়, তাদের সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে আছি।

ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার লক্ষে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে সঙ্গে ছিলেন মোঃ শামীম খান, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ বাপ্পি খান, মোঃ সাদিকুল ইসলাম, মোঃ সোহাগ হাসান, মোঃ ফিরোজ মিয়া, আইনুল হক, শান্ত মিয়া মোঃ শাহিন মিয়া, মোহাম্মদ লাল মিয়া। পৌর কাউন্সিলার আব্দুল কাদির আরো জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ৩শ পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছেন। আর ২শ পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী দেয়ার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোফাজ্জল হোসেন খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস সহযোগিতা করেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।#







সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৯৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই