তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ঢাকায় ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করছে টিসিবি

ঢাকায় ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করছে টিসিবি,হয়রানির অভিযোগ ব্যবসায়ীদের
[ভালুকা ডট কম : ২১ অক্টোবর]
আলুর অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির মধ্যে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে আজ (বুধবার) থেকে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাকে করে ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি শুরু করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন প্রতিষ্ঠান টিসিবি। জনপ্রতি ২ কেজি করে ২৫ টাকা কেজির আলু বিক্রি করা হচ্ছে। একই সাথে পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, চিনি, মশুর ডাল নির্ধারিত সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে টিসিবি’র ট্র্যাকে করে।

বাজারে আলুর দাম অস্বাভবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার পর গত ৭ অক্টোবর কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা, পাইকারীতে ২৫ টাকা এবং খুচরায় দাম ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। কিন্তু সেই দামে কেউ আলু বিক্রি করছিল না। এক কেজি আলু কিনতে খরচ হচ্ছিল ৫০ টাকা।

এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গতকাল আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে আলুর দাম পুনঃনির্ধারণ করে দেয়। সে অনুযায়ী, খুচরা বাজারে এক কেজি আলুর দাম কেজি প্রতি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৭ টাকা এবং পাইকারিতে ৩০ টাকা কেজি বেঁধে দিয়ে মঙ্গলবার দাম পুনঃনির্ধারণ করে দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।নতুন দর বেঁধে দিয়ে এ দামে যাতে সব পর্যায়ে আলু বিক্রি হয় তা নিশ্চিত করতে ডেপুটি কমিশনারদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সভা থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে, দাম নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে বাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযানের প্রতিবাদে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আলু ব্যবসায়ীরা  মঙ্গলবার দোকান বন্ধ রাখে। ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক দিন ধরেই অভিযানের নামে তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি নানা অজুহাতে তাদের জরিমানাও করা হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা পাইকারী বাজারে আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।

কারওয়ান বাজারের আলু ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে আলু ৪২ থেকে ৪৩ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এই আলুই খুচরা বাজারে ৫০-৫৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কথায় কথায় অভিযানের নামে আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। তারা জানান, র‌্যাব-পুলিশ দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটা আমরা বুঝলেও সরকার বুঝতে চাচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, সরকারের নির্দেশনা বিভিন্ন জেলার আলুর গুদামের মালিক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যবসা বন্ধ রাখার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বরং দাম স্থিতিশীল রাখতে তাদের বিভিন্ন নির্দেশনাসহ পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আর যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা মূলত ক্রয় রশিদসহ আইন অনুযায়ী কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৯৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই