তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম


বিস্তারিত বিষয়

ভালুকা গফরগাঁও সড়কে নির্মাণ কাজে নিন্মমানের অভিযোগ

ভালুকা গফরগাঁও সড়কে নির্মাণ কাজে নিন্মমানের কাজের অভিযোগ,রাতে আঁধারে পানির মাঝে ব্রীজের ঢালাই
[ভালুকা ডট কম : ১৭ নভেম্বর]
সড়ক ও জনপথের আওতাধীন ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের ভালুকা অংশে রাস্তার কাজ নিন্মমানের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবশেষ ভালুকা পৌরসভার মেজর ভিটা এলাকা লাগোয়া একটি ব্রীজের ঢালাই রাতের আঁধারে পানির মাঝে দেয়ায় স্থানীয় লোকজনের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনিয়মের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ব্রিজটি পরিদর্শন করেন।

জানাযায়,ভালুকা উপজেলার জিরো পয়েন্ট থেকে ভালুকা-গফরগাঁও সড়কের  ৯কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ কোটি টাকা। রাস্তাটি কাজ করছে  মেসার্স ঈসমাইল হোসেন জেবি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালের নভেম্বরে কাজ শুরু করে ২০২১ সালে মার্চে শেষ করা কথা রয়েছে।

ভালুকা পৌর সদরের মেজর ভিটা লাগোয়া বাইতুল মুকাররাম মসজিদের পাশে একটি কালভার্ট ভেঙ্গে ব্রীজ করার সময় দেখা যায় রাস্তার খনন করে পানির মাঝেই ব্রীজের অর্ধেক অংশের রাতের আঁধারে ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। পানির মাঝে ব্রীজটির ঢালাই দেয়াই যে কোনো সময় ভেঙ্গে দেবে যেতে পারে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সোমবার রাতের আঁধারে ব্রীজটির দুই পাশের অ্যাভাটম্যান্ট ওয়ালের ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চলমান উন্নয়ন মূলক সড়কের কাজে পুরাতন রাস্তার কার্পেটিং হতে পাথর ও বালি দিয়ে ২০০মিলি মিটার উঁচু করার কথা থাকলেও তা চোখে পড়েনি। পৌর সদরের জিরো পয়েন্ট থেকে ৫০০মিটার রিজিট পেপম্যান্ট রাস্তাটি ঢালাইয়ের পর পরই দুই জায়গায় রাস্তা ফেটে যাওয়ার স্থানীয় জনগণের ক্ষোভের মুখে পূনঃরায় রাস্তার ঢালাই ভেঙে মেরামত করা হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিন্মমানের সামগ্রি ব্যবহার করে রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজের শুরু থেকে বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করায় স্থানীয়দের  আপত্তি থাকলেও বর্তমানে ইচ্ছে মত নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে।

টুংরাপাড়া বাসিন্দা আজমল হুদা মাদানী বলেন, রাস্তার নিচের অংশে বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে ঠিকাদার দায়সাড়া ভাবে কাজ করেছে। স্থানীয়রা এ সব কাজে আপত্তি করলেও ঠিকাদারের লোকজন এতে কর্ণপাত করছে না।

মেসার্স ঈসমাইল হোসেন জেবি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রজেক্ট ম্যানেজার নূর মুহাম্মদ খান বলেন,আমরা ঠিকাদারি শর্ত মেনেই কাজ করছি রাস্তায় নিন্মমানের কোনো কাজ হয়নি। রাস্তাটি নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পর তিন বছর পর্যন্ত দেখবাল করার দায়িত্ব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের। আমরা দেখবো তাতে আপনাদের সমস্যা কি?ময়মনসিংহ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুজ্জামান বলেন,এ বিষয় ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে দেখার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার (১৪নভেম্বর) ব্রীজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের মান দেখে সওজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৯৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই