তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সরিষা ফুলের হলুদ রঙয়ে ছেঁয়ে গেছে নওগাঁর বির্স্তণ মাঠ

সরিষা ফুলের হলুদ রঙয়ে ছেঁয়ে গেছে নওগাঁর বির্স্তণ মাঠ
[ভালুকা ডট কম : ১৪ ডিসেম্বর]
নওগাঁর রাণীনগরে দিগন্তজোড়া মাঠ সরিষা ফুলের হলুদ গাঁদার চিঠিতে ভরে গেছে। যতদূর দৃষ্টি যায় শুধু সরিষার ফুলের হলুদের সমারোহ। মৌ মৌ গন্ধে ছেঁয়ে গেছে চারদিক। আবহাওয়া অনুক’ল থাকায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় সরিষার ফলন গত বছরের চেয়ে চলতি মৌসুমে দ্বিগুন পাওয়ার স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা।

উপজেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো প্রায় ৩হাজার হেক্টর জমি কিন্তু চাষ হয়েছে ২হাজার ৫শত ৬০হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে কৃষকরা কৃষি অফিসের সহায়তায় ও পরামর্শ নিয়ে উচ্চ ফলনশীল জাতের বিনা-৪, বারি ১৪/১৫/১৭ জাতের সরিষা চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুক’লে থাকলে বিঘা প্রতি পাঁচ থেকে সাত মণ হারে সরিষার ফলনের আশা করছে কৃষি অফিস ও কৃষকরা।

আমন ধান ঘরে তোলার পরেই কৃষকরা ওই জমিতে সরিষা চাষ করে। উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে সরিষা দানা বাধতে শুরু করেছে আবার কোথাও পুরোদমে ফুল ফুটতে শুরু করেছে। এই ফসল ঘরে তোলার পর আবার ওই জমিতেই কৃষক ইরি-বোরো চাষ করেন। মূলত: সরিষা বিক্রি করেই কৃষক ইরি-বোরো আবাদের খরচের জোগান দেয়। সরিষা আবাদের কারণে কৃষকের বপন করা ইরি-বোরো জমিতে বাড়তি হাল চাষ, সার ও কীটনাশক ঔষধ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। ফলে অল্প খরচ ও কম পরিশ্রমেই সরিষার জমিতে ইরি-বোরো আবাদে লাভবান হয় কৃষক।

উপজেলার হরিশপুর গ্রামের রতন ইসলাম, কনৌজ গ্রামের ভোলাসহ অনেক সরিষা চাষী জানান ৪বারের বন্যার ধকল কাটিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে আমরা উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষার আবাদ করেছি। এ বছর সরিষার গাছও ভালো হয়েছে। গাছে প্রচুর পরিমানে ফুল ধরায় ফলন হবে বলে আমরা আশা করছি। যদি আবহাওয়া অনুক’লে থাকে তাহরে এবার বিঘা প্রতি ৫ থেকে ৭ মণ করে সরিষা ঘরে তোলার আশা করছি আমরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমের শুরুতেই বৃষ্টির কারণে ানেক চাষীরা সরিষা চাষের জন্য জমি তৈরি করতে পারেননি। তাই এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও সম্ভব হয়নি। তবে বেশির ভাগ কৃষকরা এবার উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা চাষ করেছেন তাই তারা সরিষার দ্বিগুন ফলন থেকে বন্যার ক্ষতি ানেকটাই পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী। এছাড়া সরিষাসহ অন্যান্য আবাদের জন্য কৃষি অফিস সব সময় কৃষকের মাঠে গিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করে আসছে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই