তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় দ্রুত নির্মাণ হচ্ছে গ্রীণ অরণ্য পার্ক

ভালুকায় দ্রুত নির্মাণ হচ্ছে  গ্রীণ অরণ্য পার্ক
[ভালুকা ডট কম : ০৬ জানুয়ারী]
ভালুকা উপজেলার সবুজ অরন্যঘেরা টেক টিলা আর জীববৈচিত্রে ভরপুর হবিরবাড়ী গ্রামে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে বিনোদনের জন্য দ্রুত এগিয়ে চলেছে গ্রীণ অরন্য পার্কের নির্মাণ কাজ। ভালুকার হবিরবাড়ী ঢাকা ময়মনসিংহ মহা সড়ক হতে পাকা রাস্তা ধরে শাল গজারী বনের ভিতর দিয়ে দুই কিলোমিটার পূর্ব দিকে পৌছলেই নজরে আসবে পার্কের প্রধান ফটকের মাথায় দাঁত বের করে মুখ বাড়িয়ে আছে বিশাল আকৃতির ড্রাগন। ইলেক্ট্রিক সাউন্ড সিষ্টেমে যার ডাক শোনা যাবে। পাশে থাকবে আর একটি শিশু ড্রাগন যার ডাকে চিৎকার করে সারা দিবে মা ড্রাগন। উঁচু নিচু টেক টিলায় দর্শনার্থীরা ঘুরে ঘুরে পরিচিত হবেন নানা বিনোদনের সাথে। রাস্তার দুই পাশ সাজানো হচ্ছে নানা রকম দেশী বিদেশী ফল ফুলের গাছে। পার্কের বিভিন্ন অংশে নির্মল পানির লেকে শোভা পাচ্ছে প্যাডেল বোর্ড। এক পাশে ফ্লায়িং রাইডার ও সয়ংক্রিয় ওয়াটার সাওয়ার। সম্পুর্ণ আর্ন্তজাতিক মান সম্পন্ন লেকের ধারে মনোরম পরিবেশে বিশ্রামাগার ও কেন্টিনের সুব্যবস্থা।

গ্রীণ অরণ্য পার্কের সত্বাধিকারী শিল্পপতি হাজী শহিদুল ইসলাম জানান“ ভালুকার শতাধিক শিল্প কারখানার কর্মব্যস্ত লাখ লাখ শ্রমিক যাদের সামান্য অবকাশ ও বিনোদনের কোন নিরাপদ জায়গা নেই, তাছারা এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ, স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী, সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুষ্ঠ ধারার বিনোদনের সাচ্ছন্দপুর্ণ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটি বিনোদন পার্ক তৈরী করা তার বহুদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে চলেছে”।

তিনি জাপানের একটি পার্ক দেখে এসেছেন সেই আদলে সম্পুর্ণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দর্শনার্থীদের মনোরঞ্জনের কথা ভেবে প্রায় ৫০০ বিঘা জমির উপর পার্কটির পরিবেশগত অবকাঠামো নির্মাণ করছেন। দর্শনার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, টয়লেট বাথরোম সহ বিশ্রামাগার ও সব রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বন ভোজন দলের জন্য টিলায় টিলায় আলাদা রন্ধনশালা ও খাবার পরিবেশনের সুব্যবস্থা থাকবে। পার্কের প্রবেশ দ্বারের বাহিরে নামাজের স্থান করা হয়েছে। এক কথায় দেশের অন্যান্য পার্কের চেয়ে কিছুটা হলেও ভিন্ন ও আকর্ষণীয় পার্ক তৈরী করার ইচ্ছে পোষন করেন তিনি। এ জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

নির্মাণ কাজ চলা অবস্থাতেই পার্কে দর্শনার্থীরা হরিন, উটপাখি দেখতে ভীড় জমাচ্ছে। বিভিন্ন স্থান থেকে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়ে ও পরিবারের লোকজন এসে পার্কে ঘোরাফিরা করে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জানান আসছে ফেব্রুয়ারী মাসে জন সাধারণের জন্য পার্কটি আনুষ্ঠানিক উন্মুক্ত করা হবে। সুষ্ঠধারার চিত্ববিনোদনের জন্য কাছাকাছি একটি পার্ক এ অঞ্চলের মানুষের মনে সারা জাগিয়েছে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই