তারিখ : ২৪ জানুয়ারী ২০২১, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সান্তাহার জংশন রেলওয়ে স্টেশনের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা নষ্ট

সান্তাহার জংশন রেলওয়ে স্টেশনের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা নষ্ট,নজর নেই কর্তৃপক্ষের
[ভালুকা ডট কম : ১০ জানুয়ারী]
দেশের উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহি রেলওয়ে জংশন স্টেশনটি হচ্ছে সান্তাহার জংশন রেলওয়ে স্টেশন। ১৮৮০সালে এই স্টেশনটি স্থাপিত হলেও ১৯০০সালের দিকে নির্মাণ করা হয় স্টেশনের সকল অবকাঠামো। এরপর থেকে সেবা দিয়ে আসছে স্টেশনটি।

কিন্তু অন্যান্য স্থানের স্টেশনগুলোতে অবকাঠামোগত সব কিছুতেই আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও সান্তাহারের এখন পর্যন্ত কোন ছোঁয়াই স্পর্শ করেনি। এমনকি স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে পুরো স্টেশনটিকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। স্টেশনের সবকিছু মাষ্টারের কক্ষ থেকে পর্যবেক্ষন করার নিমিত্তে পুরো স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্থানে ১৯টি সিসি ক্যামেরা যুক্ত করা হয়। কিন্তু বর্তমানে ১২টি ক্যামেরা সচল থাকলেও অবশিষ্ট ক্যামেরাগুলো প্রায় ২সপ্তাহ যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অথচ এখন পর্যন্ত এই ক্যামেরাগুলো মেরামত কিংবা সচল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভ’মিকা না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্টেশনে যদি কোন বড় ধরনের চুরি কিংবা ছিনতাই হয় অথবা কোন দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে পরবর্তি সময়ে এই সিসি ক্যামেরা থেকে সহজেই অপরাধিদের দেখে চিহ্নিত করা সম্ভব। মূলত স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যেই এই সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছিলো। এতে করে এই স্টেশন কিংবা স্টেশনের আশেপাশের অপরাধি চক্র যখন জানতে পারবে যে স্টেশনের সকল সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে তখন তারাও স্টেশন ও স্টেশনের আশেপাশে যে কোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করা থেকে বিরত থাকবে।

এছাড়াও স্টেশনের চারপাশে কোন মজবুত নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকায় অপরাধিরা স্টেশনে যে কোন ধরনের কর্মকান্ড করে খুব সহজেই এদিক-সেদিক দিয়ে পালিয়ে যেতে পারছে। তাই পুরো স্টেশনের চারপাশের জায়গা উদ্ধার করে যদি শক্ত ভাবে তার দিয়ে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ করা হয় তাহলে স্টেশনে যাত্রী সেবার মান আরো কয়েকগুন বৃদ্ধি পাওয়াসহ স্টেশনের নিরাপত্তা বেষ্টনীও অনেক শক্ত বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এতে করে স্টেশনে যাত্রী সাধারনদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই নিশ্চিত হবে কারণ তখন কোন অপরাধি কোন কিছু করে আর সহজে স্টেশন থেকে বের হতে পারবে না।

সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার হাবিবুর রহমান বলেন প্রতিদিন এই স্টেশন থেকে এবং স্টেশনের উপর দিয়ে গড়ে প্রায় ৩৫টি ব্রড ও মিটার গেইজ ট্রেন দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে। তাই প্রতিদিন দিন-রাত মিলে হাজার হাজার মানুষ এই স্টেশনের উপর দিয়ে যাতায়াত করেন। সেই হিসেবে স্টেশনে যাত্রী সেবার মান তেমন ভাবে বৃদ্ধি পায়নি। স্টেশনে চরম জনবল সংকট হয়েছে। তবুও আমি সব সময় স্টেশনটিকে সচল রাখার চেস্টা করে আসছি। অচল সিসি ক্যামেরাগুলো সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত ভাবে জানিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি। #




সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই