তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তি চরমে

৩৬জনের কাজ চালাচ্ছেন ১০ডাক্তার
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যহত, রোগী ভোগান্তি চরমে
[ভালুকা ডট কম : ২০ ফেব্রুয়ারী]
ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের  কার্যক্রম চলছে জোড়াতালি দিয়ে। ৫০ বেডের এই হাসপাতালটিতে ৩৬ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালটি চলছে মাত্র ১০জন ডাক্তার দিয়ে। ফলে, সাধারণ রোগী চিকিৎসা নেওয়ার জন্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়া মাত্রই রোগীকে রেফার্ড করা হচ্ছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এতে, চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে ভালুকার স্বাস্থ্য সেবা এবং কাংখিত সেবা না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগী সাধারণ।

জানা যায়, নানান সংকটে পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সন্নিকটে অবস্থিত ভালুকা উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এলাকাবাসীর জন্যে যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। কিন্তু চিকিৎসা সেবা দেওয়ার বিপরীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বর্তমানে নিজেই নানান রোগে আক্রান্ত হয়েছে । এখানে, ৩৬ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও ডাক্তারের শূন্য পদ রয়েছে ১৭টি। বর্তমানে ১৯জন ডাক্তার নিয়োজিত থাকলেও পেশনে (অন্যত্র) রয়েছেন ০৯জন। ফলে, ৩৬জন ডাক্তারের কার্যক্রম চলছে ১০ ডাক্তার দিয়ে।অন্যান্য পদেও রয়েছে অনেক শূন্য পদ। দ্বিতীয় শ্রেনীর ৩৬জন নার্সের পদ শূন্য রয়েছে শূন্য ৩টি। চতুর্থ শ্রেনীর ৩০ জন কর্মচারীর স্থলে রয়েছে ১২ জন।

শনিবার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় জুনিয়র কনসালটেন ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জান্নাতুন নাঈম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ট্রমা (আর এম ও) জয়নাল আবেদীন কর্মস্থলে অনুপস্থিত।

ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লিপি রানী সরকার বলেন, আমার স্বামী ‘সাংবাদিক তমাল কান্তি সরকার অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসি। কিন্তু, হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট কার্ডিওলজি ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমানকে হাসপাতালে খোঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে, আবাসিক চিকিৎসক প্রাথমি চিকিৎসা দিয়ে আমার স্বামীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেন।

কথা বলার জন্যে ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যবহৃত দুইটি মোবাইলে নাম্বারের বারবার ফোন দিয়েও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোহেলি শারমীন জানান, ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান তার মন গড়া মত একদিন পরপর অফিস করেন। ডাক্তার জান্নাতুন নাঈম এক মাস বিশ দিন যাবৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তাছাড়া, ডাক্তার জয়নাল আবেদীনও এক দিন পরপর অফিস করেন। তবে, কয়েকদিন যাবৎ তিনি ছুটির দরখাস্থ দিয়ে চলে গেছেন। আমি বিষয় গুলো উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন এ বি এম মশিউল আলম জানান, ডাক্তার কর্ম স্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিব।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই