তারিখ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শ্রীপুরে গ্রাহকের টাকা নিয়ে এনজিওর অফিস উধাও

শ্রীপুরে গ্রাহকের টাকা নিয়ে এনজিওর অফিস উধাও
[ভালুকা ডট কম : ১৯ অক্টোবর]
সদস্যদের টাকা নিয়ে রাতে আঁধারে “রুপান্তর মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র” নামক  এনজিওর কর্মকর্তারা অফিস নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শহরের  ১নং ওয়ার্ডের কাইচ্চাগড় এলাকার মৃত কলিম উদ্দিন ড্রাইভারের বাড়িতে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই বাড়ির সামনে টাকা ফেরৎ পেতে  ভোক্তভূগীরা ভিরকরছিল।

অভিযুক্ত “রুপান্তর মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের” কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলার সদর থানার বাড়ইগাভী গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে তাজুল ইসলাম (২৯) ও তার সহযোগীরা। এঘটনায় সোমবার রাতে  ভোক্তভুগী নারী উপজেলার সিঙ্গারদিঘী গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী শাহানাজ বাদী হয়ে  থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভোক্তভূগীদের অভিযোগে জানাযায়,“রুপান্তর মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র” নামক এনজিওর কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা শ্রীপুর পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের  মৃতকলিম উদ্দিন ড্রাইভারের বাড়িতে অফিস ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম চালায়।

সংস্থাটি এম.আর.এ সনদ নং ০০২৪৫/০০১২২(ক)০০১২২ এর ভিত্তিতে মাইক্রুফাইন্যান্স প্রোগ্রামের আওতায় এলাকায় ঋণদান কার্যক্রম চালায়। ঋণ দান কর্মসূচীর আওতায় সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের  বিভিন্ন অংকের ঋণ দিতে আকৃষ্ট করে। ঋণ নিতে এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দরিদ্র নারী পুরুষ ওই এনজিওতে যোগাযোগ করেন। তাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা প্রত্যেক  সদস্যদের  নিকট থেকে ঋণের জামানত হিসেবে ২৫০ টাকা করে জমা  নেয়। পরে দ্রুত সময়ে মোটা অংকের ঋণ দেয়ার কথা বলে গত শনিবার (১৬ অক্টোবর) সঞ্চয় হিসেবে এককালিন সদস্যদের  নিকট থেকে ১০হাজার  টাকা করে  জমা  নেয়। পরদিন রোববার (১৭অক্টোবর) সকালে সদস্যদের ঋণ দেয়ার কথাছিল।

পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রোববার সকালে  সদস্য ঋণ আনতে ওই এনজিওর অফিসে যান। তারা গিয়ে দেখতে পান এনজিওর কর্মকর্তারা অফিসের আসবাপত্র গুটিয়ে  পালিয়ে গেছে। নাম প্রকাশ নাকরে  স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, সোমবার সকালথেকে এনজিওর সন্ধানে অনেক লোক এসেছে। অনেকে টাকার জন্য কেঁদে চলে যেতে দেখা গেছে। ঋণ নিতে আসা শাহানাজ,জাকিয়া,তৌহিদ,লাইলী,ফুরজান ও মমতাজ সহ সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন,এনজিওর কর্মকর্তারা তাদের ৬জন সদস্যের নিকট থেকে ঋণ দেয়ার কথা বলে ৭৫ হাজার টকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরও সদস্যদের  নিকট থেকে এই কায়দায় টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কতজন সদস্যের  কি পরিমান টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তা তারা জানেনা। এ ব্যপারে তারা থানায় অভিযোগ করেছেন।

বাড়ির মালিকের ছেলে পরাণ জানান, তাজুল ইসলাম আমাদের বাড়িতে ভাড়া নিতে চেয়েছিল। আমি তাদের নিকট এনআইডি কার্ডসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র চেয়েছিলাম। কোন ভাড়াটিয়া চুক্তি নাকরেই তারা আমার বাড়িতে ভাড়া নিয়েছিল। পরে তারা রাতের আঁধারে কোন কিছু না বলেই চলে গেছে।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত এনজিওর কর্মকর্তা তাজুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। শ্রীপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূইয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩২৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই