তারিখ : ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ফুলবাড়ীয়া বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়

প্রতিবন্ধীদের আলোকিত করবে
ফুলবাড়ীয়া বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়  
[ভালুকা ডট কম : ১৪ ফেব্রুয়ারী]
নিয়তির নিষ্ঠুরতায় সমাজে অবহেলিত হয় এক শ্রেণীর শিশু-কিশোর। যাদের কেউ চোখে কম দেখে, কানে কম শুনে, কারও হাত-পা বিকলাঙ্গ আবার কেউবা বাকপ্রতিবন্ধী। তারা অন্য সাধারন শিশু-কিশোরদের মতো নয়। অথচ তারা কিছু করবে, সমাজে আলোকিত হবে তেমনি কতো স্বপ্ন দেখে তাদের বাবা-মা। প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের মধ্যে শিক্ষার আলোর ছড়াতে ব্যক্তি উদ্দ্যোগে এগিয়ে এসেছে ফুলবাড়ীয়া বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়। অত্র এলাকার সমাজ সেবী সাজেদা খাতুন, তার দুই সন্তান ইলিয়াছ আমিন খান ও মরিয়ম আক্তার কণা প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ২০ শতাংশ ভূমি দান করেন।

জানাযায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের সড়ক ও জনপদ রাস্তার পার্শ্বে ফুলবাড়ীয়া নামক স্থানে অত্র বিদ্যালয়টির অবস্থান। ২০১৩ সনে স্থাপিত স্বেচ্ছাশ্রমে শিক্ষাদান স্কুলটি এখন প্রতিবন্ধী মা-বাবাদের একমাত্র আস্থা। অভিভাবক আবুল কালাম ও মাদিনা খাতুন জানান, স্কুলে পাঠানোর পর থেকে তাদের বাচ্চারা আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তারা আশাবাদী প্রতিবন্ধকতার বাধা পেরিয়ে শিশুরা বিভিন্ন প্রতিভায় কর্মক্রম হয়ে উঠবে। প্রতিদিনই তাদের শরীরিক ব্যয়াম করানো হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে দুইশত ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাদানে রয়েছে ৬জন পুরুষ ও ৬জন নারী শিক্ষিকা সহ শিশুদের সহযোগীতায় আরো চার জন স্টাফ। বিদ্যালয়ে ১টি অফিস, ৪টি শিক্ষার্থীরুম ও শিশুদের জন্য একটি বিনোদন রুম বিদ্যমান। বাচ্চাদের শিক্ষা উপকরন সহ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খেলাধূলার সামগ্রী। স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে শিক্ষাদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক লাকী হক, ফাতেমা আক্তার, লাকী হক, মার্জিয়া আক্তার, সূমী, নাসির উদ্দিন সহ অন্যান্যরা। শিক্ষক ইলিয়াছ আমিন খান বলেন, বিদ্যালয়টি টিনশেডের হওয়ায় গ্রীষ্মকালীন সময়ে বাচ্চারা গরমে নানাবিধ সমস্যা সহ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এতে একটি পাকা ভবন প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তানভীর হায়দার খান জানান, বন্ধুসলভ ও আন্তরিকতার সাথে আমরা শিক্ষাদান করে থাকি। শিশুরা প্রতিবন্ধী বিধায় তাদের শরীর চর্চার জন্য ফিজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট প্রয়োজন। এছাড়া দূর থেকে আসা এক পরিবারেরই ২-৪জনও রয়েছে। ২/৩টি ভ্যান গাড়ীর ব্যবস্থা হলে ভালো হতো।

ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম কোহিনূর জানান, স্বেচ্ছায় শ্রমে এটি উপজেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরকম উদ্দ্যোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি সহায়তা দৃষ্টি প্রয়োজন। নান্দাইল উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ইনসান আলী জানান, বিদ্যালয়টি সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় করা যায় কিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৭৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই