তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় ৩৫ হাজার মেট্টিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

নওগাঁয় প্রায় ৩৫ হাজার মেট্টিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন
[ভালুকা ডট কম : ১৯ নভেম্বর]
দেশে বর্তমানে চলছে একেক সময় একেক কেলেঙ্কারী। তবে এই সব কেলেঙ্কারীর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পেঁয়াজ কেলেঙ্কারী। দেশে এখন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চেয়ে আপেলের দাম বেশি, এমনকি এক কেজি পেঁয়াজের দামে পাওয়া যায় দুই লিটারের বেশি অকটেন। পেঁয়াজের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ এক পরিবর্তন ঘটে গেছে। আগে পেঁয়াজ কাটলে তবেই চোখ থেকে পানি পড়ত, এখন দেখলেই পানি পড়ে। অর্থাৎ বর্তমান সময়ে পেঁয়াজের ঝাঁজ অনেকটাই দ্বিগুন হয়ে গেছে। আসলে পেঁয়াজ নিজেই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পণ্যে পরিণত হয়ে গেছে।

পেঁয়াজ নিয়ে যখন এত কথা তখন কৃষি প্রধান জেলা নওগাঁয় চলতি মৌসুমে মোট ৩হাজার ৫শ ২০হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে কৃষি বিভাগ। নির্ধারিত লক্ষমাত্রার জমি থেকে ৩৪ হাজার ৮শ ৮৪ মেট্টিকটন পিঁয়াজ উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হয়েছে। চারা রোপণকৃত হালি পেঁয়াজ এখন বিক্রি প্রায় শেষ পর্যায়ে। আর গুঁটি থেকে উৎপাদিত মুড়িকাটা পেঁয়াজ বর্তমানে উঠতে শুরু করেছে। বেশি দাম পাওয়ার আশায় অনেক চাষী তাদের খেত থেকে আগাম মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠাতে শুরু করেছেন। অনেক চাষী পেঁয়াজের পাশাপাশি পেঁয়াজ গাছের পাতা (সাঁই) বাজারে আনছেন। এর এক মোঠা নওগাঁর বাজরে বিক্রি করছেন ৪০থেকে ৫০ টাকায়।

উপজেলা ভিত্তিক পেঁয়াজ আবাদ এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ২শ ৯০হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ২হাজার ৮শ ৭৫মেট্টিক টন, রাণীনগর উপজেলায় ৮৫হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৮শত ৪০ মেট্টিক টন, আত্রাই উপজেলায় ১শ ২৫হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ১হাজার ২শ ৪০মেট্টিক টন, বদলগাছি উপজেলায় ৩শ ৯০হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৩হাজার ৮শ ৬৫মেট্টিক টন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২শ ২০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন  ২হাজার ১শ ৮০মেট্টিক টন, পত্নীতলা উপজেলায় ১শ ৩৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ১ হাজার ৩শ ৪০ মেট্টিক টন। ধামইরহাট উপজেলায় ৭শ ২৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৭ হাজার ১শ ৮৫ মেট্টিক টন, সাপাহার উপজেলায় ৪শ ৪০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৪ হাজার ৩শ ৬শত ৯মেট্টিক টন, পোরশা উপজেলায় ৫৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৫শ ৪৪ মেট্টিক টন, মান্দা উপজেলায় ৮শ ৫০ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন ৮ হাজার ৪শ ২৫ মেট্টিক টন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ২শ ৫ হেক্টর জমি থেকে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩০ মেট্টিক টন পেঁয়াজ।

জেলার রাণীনগর উপজেলার মালশন গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, এবার আমি দুই বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। কিছু দিনের মধ্যে পেঁয়াজ ওঠানো শুরু করবো। আশা করছি গত বারের চেয়ে এবার দাম ভালো পাবো।

জেলার পোরশা উপজেলার কৃষক মো: লোকমান আলী জানান, ১বিঘা জমিতে পেঁয়াজ এর আবাদ করেছি। যদি আবহাওয়া ভালো থাকে এবং দাম ভালো পাই তবে আগামী আরো বেশি আবাদ করবো। তবে প্রতিবারেই দাম কম পাওয়ায় এবারে অল্প জমিতে আবাদ করেছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন চলতি মৌসুমে আলু উত্তোলনের পর সে সব জমিতে পেঁয়াজ চাষের প্রস্ততি গ্রহন করছেন কৃষকরা। আমরা আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে সেই ভালো দাম পাবেন বলে আমি করছি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই