তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

কালিয়াকৈরে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণকারীদের প্রচন্ড ভিড়

কালিয়াকৈরে টিকা গ্রহণকারীদের প্রচন্ড ভিড়,স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই নেই
[ভালুকা ডট কম : ২৯ জুলাই]
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ টিকা নিবন্ধনকারীরা সেবা গ্রহণে  প্রচন্ড ভিড় ও সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে । করোনা সংক্রামন ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।টিকা নেয়ার প্রবণতা প্রথমদিকে কম থাকলেও বর্তমানে টিকা গ্রহণের গ্রাহক বেড়েছে কয়েকগুণ।

জনবহুল ও শিল্পাঞ্চল এলাকায় একমাত্র কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টিকাকেন্দ্র থাকায় টিকা নিবন্ধনকারী  ও করোনা সংক্রামন নমুনা পরীক্ষার জন্য জনসাধারণ ব্যাপক ভিড় করছেন। কিন্তু এই টিকাকেন্দ্রে ভ্যাকসিন প্রয়োগে কোন সুষ্ঠ  ব্যবস্থাপনা না থাকায় জনসাধারণ নানাবিধ সমস্যা ও হয়রানির শিকার হচ্ছে। উপেক্ষিত  হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি, মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। গাদাগাদি করে একজনের উপর আরেকজন ভর করে স্ক্যানিং করার জন্য  টিকা কার্ড জমা দিতে হচ্ছে।  এতে করে সাধারণ মানুষ একদিকে ভোগান্তিতে পড়ছেন, অপরদিকে টিকা গ্রহণ করতে এসে মানুষের মনে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ভয় বিরাজ করছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কোভিড-১৯ টিকা নিবন্ধনকারী পুরুষ ও মহিলা টিকাকেন্দ্রে নামেমাত্র লাইন বা সারি দেখা গেলেও  স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই। অনেকের মুখে মাস্ক থাকলেও নেই কোনো সামাজিক দূরত্ব।  বৃস্পতিবার সকাল দশটা পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও সিরিয়াল ঠিক রাখার জন্য কোন আনসার বা ভলান্টিয়ার দেখা যায়নি। শুধুমাত্র দুইজন আনসার সিভিলে প্রধান গেইটে  অটো-ইজিবাইক ও গাড়ী নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে।   টিকাদান কর্মসূচি এভাবে চলতে থাকলে সংক্রমণ রোধের বিপরীতে এর হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার  আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সকাল নয়টা থেকে  টিকা কার্যক্রম শুরু হলেও টিকা নিবন্ধনকারীরা  সকাল সাতটায় উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে লাইনে দাঁড়িয়েও অসুস্হ্য  এবং হয়রানির শিকার হচ্ছে।  নিবন্ধনকারী চন্দ্রা এলাকার মুনিরা বেগম বলেন,সকাল সাতটায় এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি,কিন্তু  কোন সিরিয়াল মানা হচ্ছেনা। বলিয়াদী এলাকার সুরেন্দ্র চন্দ্র বলেন, সকালে লাইনে দাঁরিয়ে থাকার পরও কোন লাভ হচ্ছেনা, এখানে কোন শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠ ব্যবস্হাপনা নেই। সফিপুর এলাকার ব্যবসায়ী  কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালে নিয়ম যদি এরকমই থাকে তাহলে মানুষ সুরক্ষার জন্য এসে উল্টো সংক্রমিত হয়ে যাবে।

রোগিদের বিভিন্ন অভিযোগ সন্পর্কে কালিয়াকৈর  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান কর্মকর্তার সাথে কথাবলার জন্য সকাল দশটা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও  অফিসে পাওয়া যায়নি। পরে  দুপুরে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে ডাঃ আল-বেলাল বলেন, দিনদিন  রোগির সংখ্যা যেভাবে বৃদ্ধি  পাচ্ছে, সেতুলনায়  আমাদের  লোকবলের অভাব। এব্যাপারে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম ইবনে সাকাপি জানান, বিষয়টি  জানতে পারলাম। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয়   ব্যবস্থা গ্রহণ করব।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩১৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই